সন্ত্রাসী টিটিপি নিরীহ মানুষ হত্যা করার কিছু তথ্যবলী।
আরো আছে। এখানে আসল হামলা তালিকা দেওয়া হয়েছে।
২০০৭
Assassination of Benazir Bhutto (২৭ ডিসেম্বর, রাওয়ালপিন্ডি)
আত্মঘাতী হামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী Benazir Bhutto নিহত; বহু হতাহত। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ TTP-সংযুক্ত নেটওয়ার্ককে দায়ী করে।
২০০৮
Islamabad Marriott Hotel bombing (২০ সেপ্টেম্বর, ইসলামাবাদ)
ট্রাক বোমায় ৫০+ নিহত; উচ্চপ্রোফাইল লক্ষ্যবস্তুতে বড় হামলা।
২০০৯
2009 GHQ attack (১০–১১ অক্টোবর, রাওয়ালপিন্ডি)
জিম্মি পরিস্থিতিসহ ~২৪ ঘণ্টা অবরোধ; ২০+ নিহত।
2009 Lahore police academy attack (৩০ মার্চ, লাহোর)
পুলিশ একাডেমিতে হামলা; বহু হতাহত।
২০১০
Data Darbar bombing (১ জুলাই, লাহোর)
সুফি দরগাহে আত্মঘাতী হামলা; ৪০+ নিহত।
2010 Ahmadiyya mosques attack (২৮ মে, লাহোর)
আহমদিয়া উপাসনালয়ে সমন্বিত হামলা; ৮০+ নিহত (TTP-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ)।
২০১১
PNS Mehran attack (২২–২৩ মে, করাচি)
নৌঘাঁটিতে ~১৫ ঘণ্টা অবরোধ; ১০ নিরাপত্তাকর্মী নিহত; নজরদারি বিমান ধ্বংস।
২০১২
Shooting of Malala Yousafzai (৯ অক্টোবর, সোয়াত)
শিক্ষার্থী কর্মী Malala Yousafzai-কে লক্ষ্য করে গুলি; আন্তর্জাতিক ক্ষোভ।
২০১৩
All Saints Church bombing (২২ সেপ্টেম্বর, পেশাওয়ার)
গির্জায় দ্বৈত আত্মঘাতী হামলা; ৮০+ নিহত।
2013 Quetta hospital bombing (আগস্ট, কোয়েটা)
হাসপাতালে বিস্ফোরণ; বহু হতাহত (TTP-সম্পৃক্ততার অভিযোগ)।
২০১৪,
Army Public School হামলা (পেশাওয়ার)
– ১৩০+ শিক্ষার্থীসহ প্রায় ১৫০ জন নিহত। পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলাগুলোর একটি।
২০১৪
Jinnah International Airport হামলা (করাচি)
– বিমানবন্দরে সশস্ত্র হামলায় বহু নিহত ও নিরাপত্তা সংকট।
সামরিক ও পুলিশ চেকপোস্ট, আইএসআই অফিস, মসজিদ ও বাজারে বহু আত্মঘাতী ও বোমা হামলা (২০০৭–বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন সময়)।
২০১৫
Lahore church bombings (১৫ মার্চ, লাহোর)
গির্জায় দ্বৈত আত্মঘাতী হামলা; ১০+ নিহত।
Safoora Goth bus shooting (১৩ মে, করাচি)
যাত্রীবাহী বাসে গুলি; ৪০+ নিহত (জঙ্গি নেটওয়ার্ক সম্পৃক্ততা)।
২০১৬
2016 Quetta hospital bombing (৮ আগস্ট, কোয়েটা)
হাসপাতালে বিস্ফোরণ; ৭০+ নিহত (আইনজীবীসহ)।
2016 Peshawar bombing (সেপ্টেম্বর, পেশাওয়ার)
আদালত চত্বরে হামলা; বহু হতাহত।
২০১৭
2017 Sehwan suicide bombing (১৬ ফেব্রুয়ারি, সেহওয়ান)
দরগাহে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ; ৮০+ নিহত।
2017 Lahore bombing (ফেব্রুয়ারি, লাহোর)
পুলিশ লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ; বহু হতাহত।
২০১৮
2018 Mastung and Bannu bombings (জুলাই, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়া)
নির্বাচনী সমাবেশে হামলা; মাস্তুঙ্গে ১৪০+ নিহত—সাম্প্রতিক ইতিহাসে বড় রাজনৈতিক হামলা।
২০১৯
2019 Quetta bombing (এপ্রিল, কোয়েটা)
বাজারে বিস্ফোরণ; সংখ্যালঘু সম্প্রদায় লক্ষ্যবস্তু, বহু নিহত।
সীমান্ত ও চেকপোস্টে একাধিক IED/অ্যামবুশ (বিশেষত KP ও সাবেক FATA অঞ্চলে)।
২০২০
2020 Karachi Stock Exchange attack (২৯ জুন, করাচি)
স্টক এক্সচেঞ্জে সশস্ত্র হামলা; নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনে।
2020 Peshawar madrasa bombing (২৭ অক্টোবর, পেশাওয়ার)
মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ; বহু হতাহত।
![]()
২০২৩: আগ্রাসন অব্যাহত
২০২৩ সালে সারাদেশে জঙ্গি হামলার সংখ্যা ছিল ৫১৭টি (টিটিপি-সহ বিভিন্ন সংগঠন), এবং নিহত প্রায় ৭৪৮ জন।
এই সময়ে Tehreek-e-Taliban Pakistan ছিল অন্যতম প্রধান হামলাকারী।
হামলার সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পাচ্ছিল।
২০২৪: হামলার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৫ এর রিপোর্ট অনুযায়ী:
পাকিস্তানে মোট ১,০৯৯টি জঙ্গি হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
TTP একাই প্রায় ৪৮২টি হামলার দায় স্বীকার বা দুর্নীতিরভাবে দায়ী ছিল।
TTP-এর হামলায় নিহত প্রায় ৫৫৮ জন।
Baloch ও অন্যান্য গোষ্ঠীর সহিংসতা সহ মিলিয়ে এটি পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বছরে একটি ছিল।
এই হামলাগুলো মূলত পশ্চিমাঞ্চল ও সীমান্ত-এলাকায় (বিশেষ করে খাইবার পাকতুনখাওয়া (KP) ও বেলুচিস্তান) concentrated ছিল।
২০২৫: তীব্র সহিংসতা ও বড় হামলা
২৮ জুন ২০২৫ — 2025 Mir Ali Attack
Mir Ali-এ এক আত্মঘাতী গাড়ি হামলায় ১৪ জন নিহত, ২৯ জন আহত, সন্ত্রাসীরা প্রথমে বন্দুক দিয়ে আগুন চালিয়ে পরে বোমা বিস্ফোরণ করে।
হামলাটির দায় একটি TTP-এর অংশ গোষ্ঠী (Hafiz Gul Bahadur Group) বলে চিহ্নিত করা হয়।
১১ নভেম্বর ২০২৫ — ইসলামাবাদ কোর্টে আত্মঘাতী বোমা হামলা
District Courts Islamabad-এর বাইরে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত, প্রচুর আহত।
পাকিস্তান সরকার সন্দেহ করেছে যে TTP এর কোনো শাখা এতে জড়িত থাকতে পারে।
২৫ জুলাই ২০২৫ — TTP/বাকি গোষ্ঠীর অনলাইন উস্কানি
পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে TTP-সহ অন্যান্য জঙ্গি গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্ট বন্ধের দাবি জানায়, কারণ তারা সহিংসতা উস্কে দিচ্ছিল।
২০২৬ (বর্তমান): সাম্প্রতিক বড় হামলা
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ — Bajaur Attack
Bajaur District-এ একটি বড় আত্মঘাতী গাড়ি বোমা ও বন্দুক হামলায় ১১ নিরাপত্তা সদস্য এবং ১ শিশু নিহত হয়।
হামলাটি TTP দাবি করেছে।
২০২৬ সালের ইসলামাবাদে শিয়া মসজিদে হামলা — বিস্তারিত তথ্য
২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামী প্রার্থনার সময় পাকিস্তানের রাজধানী Islamabad–এর কাছে Khadija Tul Kubra মসজিদে (একটি শিয়া ইমামবর্গাহ) ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা শুক্রবারের জুম্মা নামাজ চলাকালে সংঘটিত হয়।
ঘটনার সময় ও স্থান:
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুরে (প্রায় ১:৩৮ PM)
Tarlai Kalan এলাকা, Islamabad — Khadija Tul Kubra Mosque / Imambargah.
কি ঘটেছিল:
এটি ছিল আত্মঘাতী বিস্ফোরণ; হামলাকারী প্রথম গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর নিজেই বোমাটি ফাটিয়ে দেয়, যার ফলে ঘটনাস্থল ও আশপাশে বিশাল ধ্বংস এবং হতাহত ঘটে।
নিহত ও আহত:
অন্তত ৩০+ জন নিহত, আর কিছু রিপোর্টে সংখ্যা ৩৫+ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রায় ১৬৯ + জন আহত — অনেকেই গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।
পাকিস্তানকে অস্তিতিশীল রাখতে পারলে ভারত ইসরাইল দুই পক্ষই লাভবান । দুই পক্ষেরই গ্রেটার ইসলারই ও অখন্ড ভারত করতে সুবিধা হবে। বর্তমান আফগান তালেবান ভারত ইসরাইলের আমেরিকার ফাদে পাঁ দিয়েছে। কিন্তু কিছু অন্ধভক্ত অবুঝ বুঝতে চায় না। কিন্তু এখন সব প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে।