‘ টিটিপি ’
বাংলাদেশে টিটিপি সমর্থক গোষ্ঠী উত্থান হওয়ার কারণ কি ?
যদিও টিটিপি সর্ম্পকে এক বছরে আগেও মানুষ জানতো না কিন্তু হঠাৎ তাদের তৎপরতা এত বৃদ্ধি কেন?
একটু লক্ষ্য করে দেখেন হাদী ভাইয়ের মতো গনতান্ত্রিক মধ্যমপন্থী লোক ভারত আর লীগের কাছে হয় জঙ্গী । কিন্তু ওদিকে সারাদিন ফেইসবুকে টিটিপি বন্দনা করা কিছু পোস্ট বয় ভারতের চোখে পড়ে না?
আসলে টিটিপি তো ভারতের অখন্ড ভারত প্রকল্প আরো সহজ করে দিচ্ছে। তাই টিটিপি এখন ভারতের চোখে জঙ্গি সন্ত্রাসী না।
বর্তমানে ফেইসবুকে টিটিপির অন্য রকম মার্কেটিং চলতেছে মানে টিটিপির যোদ্ধাদের দেহ পচে না টিটিপির সদস্যরা নবীজি সঃ কে স্বপ্ন দেখে যুদ্ধ করার জন্য । মানে এক যা তা অবস্থা।
ওদের উদ্দেশ্য কি? ওরা বাংলাদেশে কি চায়? কেনই বা ওরা বাংলাদেশে জনগনকে টার্গেট করেছে।
আসলে সাধারণ আফগানীরাও জানে টিটিপি উদ্দেশ্য কি ধর্মের নাম করে একটি যুদ্ধ বাধিয়ে আফগানস্তানকে গ্রেটার পশতুল্যান্ড করা কিন্তু যেহেতু এটার সাথে যেহেতু কোন ধর্মের কানেকশন নাই এটাকে মুজাহিদ বলা যাবে না। তাই সাধারণ আফগানীদের টিটিপি রিক্রট করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আবার আফগানস্তানের কিছু সচেতন আলেম ওলামা এসেবের বিরুদ্ধে।
কিন্তু এখানে বাংলাদেশ এ এত মাতামাতি কেন? এখানে জটিল প্রশ্ন দেখেন বাংলাদেশ এর সাবেক নাম পূর্ব পাকিস্তান ছিলো গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশের জনগনের কাছে পাকিস্তানফোবিয়া করে রেখেছে ভারত ও তার প্রক্সি আওয়ামীলীগ এখানো অনেক লোক আসল ইতিহাসই জানে না। আর বাংলাদেশে মুলত বাংলাদেশ সরকারের ও কন্ট্রোল নেই কারণ এটি ভারতীয় ডীপস্টেট পরিচালিত একটি ভারতীয় কলোনীয়াল দেশ। তাই এখানে পাকিস্তান বিরুধী মনোভাব উস্কে সাধারণ মাদ্রাসা ছাত্র, ধর্মীয় জীবন গুরুত্ব দেওয়া যুবক যুবতীদের মনসত্বাত্তিক জগৎ নিয়ন্ত্রণ করে এবং তারা সত্যি সত্যি ভাবে ওইখানে গেলে যদি আমি মারা যাই আমি বোধ হয় শহীদ। বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ এতিম মাদ্রাসায় লেখা পড়া করে। এবং কওমী মাদ্রাসা পড়া লেখা করা ৭০% দারিদ্র পরিবারের সন্তান । তারা বিশ্ব পরিস্তিথি , গোয়েন্দার সংস্থার ভেল্কিবাজি নিয়ে ওতটা অবগত না। যার কারণে তারা মুলত ভিক্টিম হয়। তাদের মন হয় চায় ইসলামের জন্য কিছু করার কিন্ত তাদেরকে ভুল পথে গিয়ে যায় কিছু পথভ্রষ্টরা। এবং বাংলাদেশে যদি কেও পাকিস্তান নিয়ে যৌক্তিক আলোচনা করে তাকে তাকে একপেষে করে ফেলা হয় । যেহেতু তারা সত্য টা জানতে পারছে এবং মিথ্যাই তাদের সামনে সারাদিন ঘুরা ফেরা করে তখন তারা মিথ্যা কেই সত্য ভেবে নেয়। কারণ এদেশে পাকিস্তানের পক্ষে যৌক্তিক কথা বলা পাপ হিসেবে গন্য করা হয়।
মুল কথা বাংলাদেশ থেকে দরিদ্র ঘরের সন্তান ও এতিম মাদ্রাসা পড়ুয়া যুবকদের টিটিপিতে যোগদান করার উদ্ধুদ্ধ করা। কারণ পাকিস্তান টিটিপির বিরুদ্ধে শক্ত অভিযান করায় বর্তমানে টিটিপিতে অনেক লোকবল সংকট দেখা দিয়েছে। যদি বাংলাদেশ থেকে লোকবল নিয়োগ করা যায় কিনা সেটা নিয়ে তারা কাজ করছে।
কারা করছে ?
মুলত এখানে ভারত পন্থি সুন্নি বেরেলভী যারা আদতে মাজার পুজারী বলে আমরা চিনি আরেকটা হলো ভারতপন্থী দেওবন্দি যেহেতু তালেবানও দেওবন্দি তাই তাদের ভিতর একটা আত্নার সর্ম্পক আছে। এবং তারা ইসলামের বাহিরে গিয়েও দল ও তাদের হুজুরদের অন্ধভক্ত ।
আরেকটা গ্রুপ যারা শিক্ষিত জেনারেল পড়ুয়া সারাদিন ফেইসবুকে জিহাদের একটা আবহ তৈরি করে রাখবে কিন্তু তাকে যখন বলা হয় আরাকান ও ফিলিস্তিন , কাস্মির এর কথা তখন তাদের আর রিপ্লে পাবেন না। কিন্তু তারা দিন শেষে তাদের ফলোয়ার থেকে ধর্মীয় আবেগকে পুজি তাদের বই, তাদের পন্য বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা প্রফিট করে নিচ্ছে।
এত সহজে জান্নাত যাওয়া রাস্তা রেখে কেন তারা যে এখনও যাচ্ছে না সেটাও ভাবার বিষয়।
শেষ কথা একটা ইসলামে জঙ্গি বলতে কিছু নেই আছে খারেজী। যার অর্থ
বাতিল তারা ইসলাম ধর্মকে নিজের মতো উগ্রপন্থার মাধ্যমে চিন্তা করবে। এবং তাদের মতে তারাই সঠিক বাকি ভুল। এসব খারেজী থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে সঠিক ইসলামের জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে জিহাদ হয় অন্যায় , জুলুম এর বিরুদ্ধে মুসলামানের বিরুদ্ধে নয়।
