এদের সেই পুরানো কাহিনী মুদ্রার এক পিঠের গল্প। মিথ্যা প্রোপাগান্ডার জবাব।
জর্ডানের কাহিনী টা :
1967 সালে আবর ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েল 6 দিনের মাথায় সকল আবর দেশে আচমকা বিমানহামলা করে একচেটিয়া যুদ্ধে জয় লাভ করে। তখন আবর দেশ গুলো উপায় অন্তর না পেয়ে ইসরায়েলের সাথে সমঝোতায় যায়। জর্ডান প্রচুর সংখ্যক ফিলিস্তিনি নিজ দেশে আশ্রয় দেয়। এখন আশ্রিত ফিলিস্তিনিরা ক্ষিপ্ত যে, তারা কেন ইসরায়েলের সাথে সমঝোতা করলো । জর্ডান রাজা স্বরনার্থী ফিলিস্তিনি দের বোঝালেন বর্তমানে আমাদের ইসরায়েলের সাথে লড়ার সক্ষমতা নেই। এখন আবার ইসরায়ের এর সাথে যুদ্ধে জড়ালে পুরো জর্ডানকেই ইসরায়েল এই অজুহাতে দখল করে নিবে। কিন্তু ফিলিস্তিন স্বরনার্থী বিষয়টা মানতে নারাজ তাই তারা জর্ডানে বিভিন্ন জায়গা আত্নঘাতী বোমা হামলা শুরু করলো। এবং কি জর্ডানের রাজাকে হত্যা চেষ্টা করছিল। পুরো জর্ডান দেশটা মিনি জাহান্নাম বানিয়ে ফেলছিল উগ্র গান্ডু গবেট ফিলিস্তিনিরা। জর্ডানের রাজা উপায় অন্তর না পেয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জিয়াউল হক এর সাহায্যে নিয়ে উইসব উগ্র দের দমন করে। অথচ দোষ নাকি পাকিস্তান সেনাহিনীর? জর্ডান সেনাবাহিনী কথা উল্লেখ নাই।
বিষয়টা এভাবে বোঝেন বর্তমান বাংলাদেশ মিয়ানমারের সাথে লড়াই করার কোন সক্ষমতা নাই তারপরও আরসা সহ রোহিঙ্গা মুক্তিকামী গোষ্ঠী যদি না বোঝে উলটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই বিভিন্ন আত্নঘাতী বোমা হামলা করে এই অজুহাতে যে কেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের সাথে না ? এবং বাংলাদেশ সরকারকে হত্যা চেষ্টা করে তাহলে বাংলাদেশ সরকার কি আঙ্গুল চুষে বসে থাকবে ? উইসব উগ্রদের কি দমন করবে না?
71 এর কাহিনী :-
71 এ নিয়ে লেখার কিছু নাই অনেক লিখছি 25 শে মার্চ রাত এর আগে যেভাবে অবাঙ্গালি / বিহারি এবং কি পাকিস্তান রাষ্ট্রকল্পকে ভালবাসে এমন অনেক বাঙ্গালিকে নির্মম ভাবে হত্যা করে করে লীগ মুজিব বামেরা ওদের বিরুদ্ধে অপারেশন সার্চ লাইট। 71 এ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমন করতে গিয়ে 2 হাজার ভারতীয় প্রক্সি মরেছে । 30 লাখ না 2 হাজার এটার আজ পর্যন্তও জরিপ করতে পারে নাই বর্তমানে ভারতীয় উপনিবেশ ক্ষেত বাঙ্গুল্যান্ড।
আমেরিকার ওয়ান অন টেরর কাহিনী
ওবিএল প্রথমে অস্বীকার করে যে 9/11 ঘটাইছে এজন্য মোল্লা ওমর আমেরিকাকে বলে দেয় ওবিএল কে দিতে পারবো না। তার কিছু দিন পর ওবিএল এক ভিডিও বার্তায় বলে সে নাকি 9/11 ঘটাইছে । এখানে আমেরিকার লেজিটিমিসি পেয়ে যায় আফগানস্তানে এট্যাক করতে । ওইসময় আমেরিকাকে ঠেকানোর মতো শক্তি কারো বাপের ব্যাটা ছিলো না। পাকিস্তানের পাশে চিরশত্রু ভারত উত পেতে আছে এমতাবস্থায় পাকিস্তান সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করেছে আমেরিকার অপারেশন টা পাকিস্তান বাইপাস করে হোক কিন্তু আমেরিকার মতো দানব কে ঠেকানোর অসম্ভব ছিলো প্রায়। তাই পরে পাকিস্তান গোপনে তালেবান লিডার দের পাকিস্তানে আশ্রয় দিয়ে গেরিলা প্রশিক্ষণ দিয়ে তালেবানদের আমেরিকার বিপক্ষে যুদ্ধে বিজয়ী হতে সাহায্যে করে।
টিটিপি কাহিনী:-
টিটিপি জন্ম হয় 2007 সালে । তাদের কথা হলো পাকিস্তান শরীয়া তথা তারা যেভাবে ইসলাম মনে করে সেরকম ইসলাম আইন করা দরকার। এখন পাকিস্তানে বিদ্যমান আইন কাঠামো পরিবর্তন করার জন্য পাকিস্তান সরকারকে সময় দিতে হবে দাওয়াত দিতে হবে । কিন্তু তারা সেটা না করে খারেজীপনা শুরু করে মাঝখানে তালেবান ক্ষমতা আশার আগে তাদের তৎপরতা কম ছিলো । কিন্তু বর্তমান তালেবান ক্ষমতা আশার পর তাদের আসল রুপ প্রকাশ পায় তাদের এই সন্ত্রাসবাদের আড়ালে লুকিয়ে আছে পশতু জাতীয়তাবাদ তথা গ্রেটার আফগানস্তান। তাই টিটিপিকে তালেবান সার্পোট করে এখানে ভারতের স্বার্থ জড়িত কারণ প্রজেক্ট তো একই পাকিস্তানকে ভেংগে টুকরো টুকরো করা। এজন্য তারা ভারত সাথে হাত মিলিয়েছে।
বেলুচ সমস্যা :-
পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান যখন এক ছিল তখন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান এক করে রাখার জন্য পূর্ব পাকিস্তান এক জাতি গোষ্ঠী ও পশ্চিম পাকিস্তান এক জাতি গোষ্ঠী ফর্মুলা প্রয়োগ করে তৎকালীণ শাসক গোষ্ঠী। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানে জাতিগোষ্ঠী ছিলো 4টি এবংকি বেলুচ স্তান নামে আগে কোন প্রদেশ ছিলো না তৎকালীন ছোট ছোট রাজা নিয়ন্ত্রিত রাজ্য নিয়ে একটা প্রদেশ গড়া হয় বেলুচস্তান, কিন্তু বেলুচস্তানের মানুষেরা পশ্চিম পাকিস্তান একক জাতি হিসেবে মানতে নারজা। তারা নিজস্ব আলাদা সাংস্কৃতিক ও আলাদা জাতি গোষ্ঠী দাবি করে। কিন্তু কথা হল বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কি চায় তারা নিজেরাও জানে না আমাদের দেশের পাহাড়ে ইউটপিডিএফ জেএসএস মতো সারা দিন বাঙ্গালি বিদ্বেষ বাংলাদেশ বিদ্বেষ ঠিক বিএলএ সন্ত্রাসীরা ঠিক এমনি পাকিস্তান বিদ্বেষ পাঞ্জাব বিদ্বেষ সিদ্ধি বিদ্বেষ । কিন্তু সাধারণ বেলুচরা পাকিস্তানের প্রতি লয়াল । গুটি কয়েক ভারত সর্মথিত গোষ্ঠী অবাস্তব ভিত্তিহীন গোষ্ঠীকে কি আদর করবে? এখন আপনি বলেন দেশের মধ্যে আলাদা দেশ ডিমান্ড কি কেও মেনে নিবে ? তাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে মারা খায়। পরে আবার কান্নাকাটি করে। সারা চিল্লা ই বেলুচরা বলে অত্যাচারিত অথচ কোন প্রমাণ দিতে পারে না । আমাদের ইউপিডিএফ জেএস এস এর মতো পাহাড়ে মানুষরা নাকি অত্যাচারিত কিন্তু কি অত্যাচার করা হয়েছে সেটা বলতে পারে না।
কাস্মির:-
কিছুদিন যাবৎ পাকিস্তানের কাস্মির এ গন্ডোগোল হচ্ছে এর কারণ কি । এর কারণ মূলত এর কারণ ভারত শাষিত কাস্মির থেকে কিছু শরনার্থী পাকিস্তানে এসে সেটেল হয় এখন ওরা নির্বাচনে কিছু সিট দাবি করে যেটা পাকিস্তানের কাস্মির এর লোকাল রাজনৈতিক দল দিতে রাজি হয় না। কিন্তু পাকিস্তান সরকার এর কথা হলো যদি তাদের কাস্মির এর লোকাল রাজনীতি সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে ভারতের কাস্মির এর মানুষ পাকিস্তানের প্রতি আস্থা বাড়বে । কিন্তু পাকিস্তানের কাস্মির এর কিছু বেইমান রা কিছু ভারতের দালাল তারা এটা চায় না । তাই তারা পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর উপর গুজব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ায়। কিছু তো এমন আছে বিচ্ছিন্নতাবাদী বক্তব্য দেয়। তাহলে পাক সরকার কি আঙ্গুল চুষবে। আপনি বলেন।
এখানে মুল সংক্ষিপ্ত টু পয়েন্ট কাহিনী বলা হয়েছে । প্রোপাগান্ডার জবাব দিলাম। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যা রটানো হয় ফ্যাক্ট চেক করলে প্রায় নব্বই পারসেন্ট মিথ্যা।
বর্তমানে দেওবন্দি কওমী গ্রুপ আফগানদের এত অনুপ্রেরণা নেয় কারণ কি ? শুধুই কি ইসলাম নাকি নিজের সুবিধা দল মত কে রাষ্টীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠা করা সেটা নিয়েও ইনশাল্লাহ একদিন লিখব।
আরেকটা প্রশ্ন অনেকেই করে পাকিস্তানে এত গেঞ্জাম কেন?
কারণ একটাই ভারত । ভারত প্রতিবছর পাকিস্তানের বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বাজেট রাখে। এখন কেও যদি বসে বসে কাজ বাজ ছাড়াই দালালি করে ব্যাংক একাউন্টে মাসে মাসে লাখ টাকা ঢোকে সে তো বিচ্ছিন্নতাবাদীগিরি করবেই। দেখেন না বাঙ্গুল্যান্ডে কিভাবে ভারতের পক্ষে বয়ান তৈরি করে বাম লীগরা। বিষয়টা এমন । বাঙ্গুল্যান্ডে বিচ্ছিন্নতাবাদী পাকিস্তানের মতো সন্ত্রাসবাধ করতে পারছে না এর কারণ ভারত দুই সাইডে এক সাথে রিস্ক নিবে না। একটা একটা করে কাটা তুলবে পাকিস্তানকে ধংস্ব করতে পারলে পরের দিন সকাল বেলা থেকে বাঙ্গুল্যান্ডে দুন দুপুরে বোমা হামলা দেখবেন।
সব টোটকা বলেই দিলাম এরপরও সব কিছু জানার পর কার পক্ষে থাকবেন সাথে আপনার হাশর নাশর হবে এটা আপনিই চিন্তা করবেন।
এডমিন
এক্সপোজ 71
https://www.facebook.com/photo/?fbid=122197376660753600&set=a.122107506002753600