আমেরিকার এক টিভি টকশোতে এনালাইসিস করা হচ্ছে হচ্ছে কিভাবে পাকিস্তানকে ভাংগা যায় ।
কারণ পাকিস্তান পরমানবিক শক্তিধর দেশ তাই পাকিস্তানে বিভিন্ন জাতিগত উস্কানি দিয়ে ফায়দা
নেওয়া যেতে পারে।
আপনি কি জানেন - TTP কে দিয়ে ভারত পাকিস্তানে থাকা কাশ্মিরী মুজাহিদদের হত্যা করাচ্ছে. সিআইএ অফিসার এটা স্বীকার করেছে।
এইজন্য দেখবেন আফিস আদনান ও বাংলাদেশের তালিবান সমর্থকরা কাস্মির পাকিস্তানের থাকা উচিৎ না এমন ন্যারিটিভ বানানোর চেষ্টা করছেন । কারণ তাদের গোমড় ফাঁস হয়ে যাবে যে টিটিপি দিয়ে কাস্মির এর মুজাহিদ হত্যা করাচ্ছে ভারত।
এইজন্য তারা সুকৌশলে আগেই ন্যারিটিভ বানিয়ে রাখতে চায়।
অথচ কাস্মিরীরের জনগন এর উপর ভারতীয় বাহিনী কি নিসংস্ব গনহত্যা চালিয়েছে সেটা বলবে না।কারণ তারা এদেশে আফগানস্তানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে।
বর্তমানে ভারত আফগানস্তানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য একই পাকিস্তান ঠেকাও।
আসিফ আদনান এর এটা জানে না যে ১৯৪৭ কাস্মির মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ তাই সেটা পাকিস্তানই যাবে । কিন্তু হিন্দু রাজা ভারতের কাছে নাপাক চুক্তি করে । এখানে নাপাক আর্মি বা জিহাদ এর কোন অপশন নেই।
বাংলাদেশের দেওবন্দী , আফগানস্তানের দেওবন্দী রা কেন জামাত ও পাকিস্তানকে দুই চোখে দেখতে পারে না। এর একটাই কারণ ভারতের দেওবন্দ থেকে ফতোয়া কারণ দেওবন্দ চাই নাই পাকিস্তান হোক । ভারতের মুসলিমরা সে দেশের তৃতীয় শ্রেনীর নাগরিক। তাই তাদের হিংসা পাকিস্তান বাংলাদেশের মুসলিমরা কেন স্বাধীন থাকবে। তাই পাকিস্তান ধংস্ব করো । তারপর বাংলাদেশ এমনিতেই ধংস্ব হয়ে যাবে।
ভারতীয় সেনাবাহিনী কর্নেল রাজেশ পাওয়ার দাবি করেছেন যে, ভারত ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং বলেছে - বিএলএ (BLA) একটি “স্বাধীনতার লড়াই “ চালাচ্ছে তাই পাকিস্তান ও ইরানের ওপর নজর রাখতে ভারতও ইসরায়েলের তাদের সমর্থন করা উচিৎ ।
তিনি আরও স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে যে , ভারত (BLA) ও টিটিপি (TTP) - কে অর্থায়ন করছে, আফগানস্তান তাদের কার্যক্রমের জন্য ভূখন্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে এবং ইসরায়েল এসব সংগঠনকে অস্ত্রও গোয়েন্দা সহায়তা দিচ্ছে।
তার মতে , এই তিন দেশ এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে পাকিস্তানকে টার্গেট করা।
এদিকে ফরাসি গনমাধ্যম একটি রির্পোট করেছে যেখানে আফগানস্তান ও ভারত মিলে যৌথ প্রজযনার গুজব ছড়াচ্ছে।