ব্রিটিশ পিরিয়ডে হিন্দু জমিদাররা তাদের জমিদারিতে মুসলমান প্রজাদের ওপর কীরূপ জুলুম করতো তার তালিকায় ঐতিহাসিক অমলেন্দু দে লিখেছেন-
১. যারা দাঁড়ি রাখিবে, গোঁফ ছাটিবে, তাদের প্রত্যেককে ফি দাঁড়ির উপর আড়াই টাকা ও ফি গোঁফের উপর পাঁচ সিকা খাজনা দিতে হইবে।
২. মসজিদ প্রস্তুত করিলে প্রত্যেক কাঁচা মসজিদের জন্য পাঁচশত টাকা ও প্রত্যেক পাকা মসজিদের জন্য এক সহস্র টাকা জমিদার সরকারের নজর দিতে হইবে।
৩. পিতা-পিতামহ বা আত্মীয়-স্বজন সন্তানের যে নাম রাখিবে, সে নাম পরিবর্তন করিয়া অহাবী মতে আরবী নাম রাখিলে প্রত্যেক নামের জন্য খারিজানা ফি পঞ্চাশ টাকা জমিদার সরকারে জমা দিতে হইবে।
৪. গো হত্যা করিলে হত্যাকারীর দক্ষিণ হস্ত কাটিয়া দেওয়া হইবে। ইত্যাদি।
-অমলেন্দু দে
বইঃ বাঙ্গালী বুদ্ধিজীবী ও বিচ্ছিন্নতাবাদ। ঢাকা: জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ, ২০১১ ।
এই অত্যাচারেই পাকিস্তান নামক বিশ্বাস বানানো হয়।
বাঙালি মানেই হিন্দু , মুসলিম মানেই পাকিস্তানি, পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের যারা মুসলিম তারা বাঙালি নয়, তারা পূর্ব পাকিস্তানী মুসলিম , কেউ যদি নিজেকে বাঙালি মনে করে সে মুসলিম নয়।
এখনে কেউ জাতি স্বত্তার বিভিন্ন তত্ত্ব কপচায়েন না, বাংলাদেশ আর বাঙালির প্রেক্ষাপট পৃথিবীর অন্য মুসলিম জাতিগুলোর চাইতে ভিন্ন ,
কেননা পাকিস্তানি , আফগানি, আরবী, বা যেকোনো মুসলিম দেশের নাম বা মুসলিম জাতিগোষ্ঠীর নাম নিলে আমাদের দ্বিতীয় বার ভাবতে হয়না তারা কি মুসলিম নাকি অন্য ধর্মের।
কারণ তারা তাদের আইডেন্টিটি মুসলিম জাতি হিসেবে ক্রিয়েট করেছে, যদিও কিছু সংখ্যাক অন্য ধর্মের থাকে কিন্তু তাদেরকে তারা গোনায়ই ধরেনা।
অন্যদিকে নপুংশক কাঙলুদের কথা যদি বলি তাহলে এদের নাম নিলে আলাদা করে মেনশন করতে হয় কাঙলু মুসলিম, কাঙলু হিন্দু , অথচ কাঙলুদেশে ৯০% সো কলড মুসলিম বাট নিজের জাতীয় আইডেন্টিটি কে মুসলিম হিসেবেই দাড় করাতে পারেনি।
এজন্য আমি সাফ বলি বাঙালি (কাঙালি) মানেই মা#লাউন ।
বাংলাদেশে বাসকারী মুসলিমরা হলো পূর্ব পাকিস্তানী।
আর যে নিজেকে বাঙালি বলবে সে মুসলিম না। দ্যাটস ইট।
তোমার আমার টাকায় পালিত হচ্ছে এক পাল সন্ত্রাস,,