রাজাকার , আল বদর , আল শামস কারা ছিলো বাস্তবতা কি?




অনেকে এই নাম গুলো ঘৃনা আর গালির হিসেবে দেখেন।
আচ্ছা ভাবুন তো কালকে পাহাড়ে থাকা লাখ লাখ বাঙ্গালিদের উপর বিনা কারণে কিছু উপজাতির সন্ত্রাসীরা গনহত্যা শুরু করলো । বাংলাদেশে পতাকা রাস্তাঘাটে পুড়িয়ে উসকানি দিলো । এবং মুজিবের মতো ৬ দফা দাবি করে দিল আবার বললো আলাদা মুদ্রা ব্যবস্থা লাগবে আলাদা ব্যাংক মানে একটা আলাদা দেশ হতে যা যা দরকার সব দাবি করলো । ওকে বাংলাদেশ সরকার তাও নেগোশিয়শন করার চেষ্টা করলো কিন্তু তারপরও তারা আরো তালবাহানা শুরু করলো তাদের যেকরেই হোক তারা আলাদা করতে হবেই। তাদের পিছনে ভারত অস্ত্র, অর্থ, মিডিয়া আন্তজার্তিকভাবে সকল সাহায্যে করছে ওদকে প্রতিদিন পাহাড়ে থাকা বাঙ্গালিদের লাশও পড়তেছে । সেনাবাহিনী বাধ্য হয়ে ওইসব গুটি কয়েক সন্ত্রাসীদের ওপর অপারেশন সার্চ লাইট শুরু করলো। সন্ত্রাসীরা নিজেদের উপর হামলা পুরো উপাজাতির গনগোষ্ঠীর উপর হামলা বলে প্রচার করলো ভারত ও ভারতীয় প্রক্সি উপজাতিরা । এবং পরিস্তিতি সর্বাতোক ঘোলাটে করার চেষ্টা করলো। এবং পুরো উপজাতি জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মুখে দাড়ানোর চেষ্টা করলো।
ওসময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিক কি থাকবে? তখন আর বুঝতে দেরি থাকলো না ভারতীয় ষড়যন্ত্রে আপনার দেশকে ভাংগা হচ্ছে ।
আপনি বুঝতে পারলেন দেশের অখন্ডতার জন্য সেনাবাহিনীকে সার্পোট করার জন্য একটা দল গঠন করলেন।
কুরআন শরীফ ছুয়ে শপথ করলেন মুসলিম ভূখন্ড হেফাজত করা ইমানী দায়িত্ব । এই পরিস্থিতি আপনিও একজন রাজাকার , আল বদর বা আল শাসম হয়ে গেলেন বিষয়টা কি এমন নয়?
তাহলে রাজাকার , আল বদর , আল শামস গালি হয় কিভাবে?
ওই সময় তো তারাও তো ঠিক এমন চিন্তা পোষণ করেছিলেন।
রাজাকার বাংলা অর্থ সেচ্ছাসেবী,
আল বদর অর্থ পূন্য চাঁদ , আল শামস হলো সূর্য
তারমানে সেই সকল তারাই ছিলো প্রকৃত দেশপ্রেমিক ইমানদার নক্ষত্রের সূর্য সন্তানেরা । আর উক্ত বিষয়কে ৩৬০ ডিগ্রি কোণে ঘুরিয়ে আমাদের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে।
২৪ এর স্লোগান ও ঠিক এমনি ছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাধ ও ভারতীয় প্রক্সি লীগকে বিতারিত করা জন্য আমাদের রাজাকার শব্দটি সাহস যুগিয়েছিলো।

Post a Comment

Previous Post Next Post